Sunday, August 31, 2014

মানসিক যন্ত্রণামুক্ত সুখী জীবনের জন্য প্রিয় মানুষদের কাছে থাকুন

একটি মানুষের ভালো থাকার প্রক্রিয়ায় অর্থবহ ও গভীর সম্পর্ক বড় ভূমিকা রাখে। প্রতিটি মানুষই কারো না কারো সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন। ওই মানুষটি তার সারা জীবনের সঙ্গী বা সঙ্গিনী। তাদের নিয়ে আমাদের হৃদয় যা বলে এবং মন যা ভাবে তা অনুভব করতে আমরা ভালোবাসি। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি গভীর ও স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক শুধু স্ট্রেস থেকে মুক্তি ও পরিবেশে খাপ খাওয়াতেই উদ্বুদ্ধ করে না, বরং মানুষকে শেখা, উদ্ভাবন করা, লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাওয়া এবং সৃষ্টিশীলতার চর্চাকে ত্বরান্বিত করে।
সান্তা বারবারার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যান্সি কলিন্স এবং ব্রুক ফিনে অব কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির কয়েকজন গবেষক এ বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করেন।
গবেষকরা জানান, মানুষ ক্রমেই তার দৈনন্দিন জীবনযাপনকে উন্নত করতে চায়। এ ক্ষেত্রে বন্ধু, বাবা-মা, ভাইবোন, একজন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে তার যে সম্পর্ক রয়েছে তা নানাভাবে কাজ করে। জীবন থেকে নানা কারণে বিক্ষিপ্ত মানুষকে আবার স্থিত হতে এসব সম্পর্কই প্রভাবকের কাজ করে। তাই মানুষের সঙ্গে মানুষের সামাজিক সম্পর্ককেই উন্নত জীবনের হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে এবং এর দ্বারাই আমাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ হতে পারে।
গবেষক ফিনে বলেন, সম্পর্কের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো, জীবনের বৈচিত্র্যহীন ও সামামাটা মুহূর্তে সম্পর্কই নতুন উদ্ভাবনে সৃষ্টিশীলতাকে জাগিয়ে তোলে।
গবেষকদের মতে, মানুষের উন্নতি লাভের এই প্রবণতার ফলে জীবন পাঁচটি দিক থেকে পুষ্টি লাভ করে। এগুলো হলো : সুখী হওয়া, তৃপ্তি পাওয়া, উদ্দেশ্য তৈরি হওয়া, জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া এবং মানসিক শান্তি লাভ করা।
তবে যারা সম্পর্কের এই শক্তি নিয়ে এগিয়ে আসেন এবং অসচেতনভাবে ভালো না করে ক্ষতি করে ফেলেন, তখন ভিকটিম নিজেকে দুর্বল, অভাবগ্রস্ত, অযোগ্য এবং দোষী বলে অনুভব করতে পারে। তখন নিজেকে বাড়তি ঝামেলা বলে মনে হয়।
তাই কারো জন্যে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করে।

এ গবেষণা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি 'পারসোনালিটি অ্যান্ড সোশাল সাইকোলজি রিভিউ' জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

দিনের স্বাস্থ্যকর শুরুর জন্য 'মর্নিং সেক্স'


একমাত্র জগিংয়ের মাধ্যমেই দিনের শুরুটি চমৎকারভাবে শুরু করা যায় না। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে,  'মর্নিং সেক্স' বা সকাল বেলার যৌনতার মাধ্যমেও চমৎকারভাবে শুরু করা যায় দিনটি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
গবেষণায় জানা গেছে, যেসব ব্যক্তি সকালে যৌনতায় লিপ্ত হন তারা স্বাস্থ্যবান ও সুখী দম্পতি হয়ে থাকেন।
এ প্রসঙ্গে যৌন স্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষক ডেবি হারবেনিক বলেন, ‘রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় হিসেবে সকালের যৌনতা কার্যকর। এর মাধ্যমে সারা দিন উপকৃত হওয়া যায়।’
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘এটি মানুষের ভালো অনুভূতি তৈরি করে।’
হারবেনিক আরও বলেন, ‘যৌনতা দেহের এস্ট্রোজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এতে অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি ত্বক ও চুল স্বাস্থ্যবান করে তোলে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যৌনতা আইজিএ নামে একটি অ্যান্টিবডি বৃদ্ধি করে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।’ 

সে কি প্রেমে পড়েছে? আটটি লক্ষণে জেনে নিন 'শরীরের ভাষা' কী বলে


কারো সঙ্গে হৃদয়বৃত্তিক সম্পর্ক শুরুর আগেই তার সম্ভাবনা যাচাই করা যায় শরীরের ভাষা বিশ্লেষণ করে। কেউ যদি আপনার প্রতি অনুরক্ত হয় তাহলে তা প্রকাশিত হয়ে যাবে তার শরীরের ভাষায়। এ লেখায় থাকছে তেমন আটটি লক্ষণ, যা দেখে বুঝতে পারবেন সে আপনার প্রতি অনুরক্ত কি না।

১. কাছাকাছি আসা
কারো সঙ্গে কথাবার্তা বলার সময় সে যদি আপনার কাছাকাছি চলে আসে বা দূরত্ব কমাতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার বিষয়ে সত্যিই আগ্রহী। কথার সময় যদি অন্য পক্ষ এক ইঞ্চি কাছেও আসে তাহলে বুঝতে হবে সে আপনাকে কিছুটা ভালোভাবে বুঝতে চায়। এছাড়া তিনি আপনার কাছে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন, তাও বোঝা যায়।

২. নরমভাবে কথা বলা
কোনো মানুষ যখন অন্য কারো প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়ে তখন তা গলার স্মরেই বোঝা যায়। বিশেষ করে কথা বলার সময় তার গলার স্মর যদি নরম হয়ে পড়ে তাহলে বুঝতে হবে তার অনুভূতি বলছে, সে একান্তে আপনার সঙ্গে কথা বলার উপযুক্ত।

৩. দাঁড়ানোর ভঙ্গি
আপনার সামনে বা পাশে তার দাঁড়ানোর ভঙ্গি দেখেও আপনি বুঝে নিতে পারবেন তিনি আপনার প্রতি অনুরক্ত কি না। পুরুষরা সাধারণত দূর থেকে কোনো নারীকে আকর্ষণ করার জন্য সোজা/লম্বা হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কাছাকাছি আসলে এটা হতে পারে কাঁধের ভঙ্গিতে পরিবর্তন। সে সময় চৌকোনো কাঁধ কিছুটা গোলাকার মতো হয়ে যায়। এতে বোঝা যায় সে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে।

৪. চক্ষু সংযোগ
সে যদি আপনার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, সে আপনার প্রতি আগ্রহী। আপনার অন্তরের বা বাহিরের সৌন্দর্যের প্রতি তার আকর্ষণবোধ গোপন করতে পারছে না সে।

৫. বাহুবন্ধন
আপনার প্রতি কেউ অনুরক্ত হলে তার বাহুর অবস্থান খেয়াল করুন। সেটি কি আপনাকে বাহুডোরে বাঁধতে প্রস্তুত, এমনটাই মনে হচ্ছে? যদি অনেকটা তাই হয় তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার প্রতি অনুরক্ত। তার বাহু আপনাকে বন্ধনে জড়িয়ে নিতে প্রস্তুত। কিন্তু এখন শুধু আপনার সম্মতির অপেক্ষা।

৬. অনুকরণ
আপনি কি জানেন, কারো প্রতি আকর্ষণ বোধ করলে আপনিও তার নানা আচরণ অনুকরণ করেন? ঠিক একই ভাবে অন্য কেউ যদি আপনার প্রতি অনুরক্ত বোধ করে তাহলে সেও আপনার নানা আচরণ অনুকরণ করবে।

৭. ঠোঁট ভেজানো
ঠোঁট যদি শুকিয়ে যায় তাহলে অনেকেই তা জিহ্বা দিয়ে ভিজিয়ে নেয়। আর আপনার কাছাকাছি থাকা অবস্থায় সে যদি জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজায় তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার প্রতি অনুরক্ত এবং কোনো সুযোগ হারাতে চায় না।

৮. আপনার চুল ঠিক করে দেয়
পাশাপাশি অবস্থায় সে যদি আপনার অগোছালো চুল ঠিক করে দেয় তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার প্রতি অনুরক্ত। আর এজন্যই সে আপনাকে স্পর্শ করার একটি অজুহাত হিসেবে চুল ঠিক করার বিষয়টি এনেছে।